আপনে কি কাজ সময়মতো করতে পারছেন না

2017-10-14 জেনে রাখুন

সময়মতো কোন কাজ সেরে উঠতে না পারা অথবা কাজ দীর্ঘ সময় ধরে ফেলে রেখে করা যদি নিত্যকার অভ্যাস হয় তাহলে ভাবার বিষয়। শুরুতে তেমন সমস্যা না হলেও ধীরে ধীরে এটি মারাত্মক সমস্যায় রূপান্তরিত হতে পারে। এটি আমাদের কর্মদক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে আসতে পারে শূন্যের কোঠায়।

বেশি সময় ফেলে রেখে কাজ শুরু করার ফলে কাজের প্রতি আগ্রহ কমে আসে। ফলে কাজের মান খারাপ হয়। আবার যে কাজটা ফেলে রাখা হয়েছে তা সারাক্ষণ মনের মধ্যে একপ্রকার অস্থিরতা তৈরি করে, যার ফলে অন্য কাজও সুন্দরভাবে মন বসে না। মেজাজ ও খিটখিটে হয়ে যায়।

কিছু কাজ কিংবা প্রতিযোগিতায় আবেদনের নির্ধারিত সময়সীমা  দেওয়া থাকে। এসব কাজ ফেলে রাখতে রাখতে একপর্যায়ে কাজটির প্রতি আগ্রহ হারিয়ে যায়। ফলে শেষ মুহূর্তে কাজটি আর না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে । কেউবা আবার হাতে অনেক সময় আছে ভেবে দেরিতে শুরু করার ফলে শেষ পর্যন্ত আর কাজটি  শেষ করতে পারে না। হয়তো শেষ মুহূর্তে জমাদানের কারণে তার কাজ নিম্নমানের হয় সফল হতে পারে না।

অনেকে আবার ‘এবারই শেষ, এরপর থেকে সব কাজ ঠিক সময়ে করব’ এমনটি বারবার ভেবেও প্রতিবারই ঠিক সময়ে কাজ করতে ব্যর্থ হয়। ফলে একপর্যায়ে ভয়াবহ হতাশা নেমে আসে এবং কোনো কাজই সঠিকভাবে করতে পারে না।

এসব সমস্যায় ভুগলে যত দ্রুত সম্ভব বেরিয়ে আসার জন্য নিজেকেই নিজের সাহায্য করা খুব জরুরি। পাশাপাশি একজন বন্ধুর  সাহায্য নেওয়া ভালো।

 মানুষ যখন বিষণ্নতায় থাকে, তখন চাইলেও সে সব কাজ ঠিক সময়ে করতে পারে না। অর্থাৎ, হয়তো কাজটি মন থেকেই করতে চায় কিন্তু করে উঠতে পারে না। অনেকের ক্ষেত্রে এটি এমন অভ্যাস হয়ে যায় যে সব কাজই শেষ মুহূর্তে করার জন্য ফেলে রাখে সে ক্ষেত্রে এটি রোগ বলেই ধরা হয়।

বিষণ্নতার সঙ্গে যেহেতু এটি সম্পৃক্ত, তাই এই সমস্যার সঙ্গে আরও কিছু উপসর্গ থাকে। যেমন ঘুম কম হওয়া কিংবা অধিক ঘুম হওয়া  ইত্যাদি। বারবার কেউ যদি কাজ করতে ব্যর্থ হয় এবং সেই হতাশা যদি তার অন্যান্য দৈনন্দিন কাজেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, সে ক্ষেত্রে দ্রুত বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।



Similar Post You May Like