ইপিজেড তৈরি উদ্দেশে রোহিঙ্গাদের তাড়ানো হচ্ছে

2017-10-16 সম্পাদকীয়

১৩ অক্টোবর রাজধানীর বসুন্ধরা কনভার্সেশন এক সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন রোহিঙ্গাদেরকে সড়ানো হচ্ছে একটি বড় উদ্দেশ্য নিয়ে। তিনি বলেন গোপন সূত্রে জানা গেছে ইপিজেড তৈরীর উদ্দেশ্যে রোহিঙ্গাদেরকে তাড়ানো হচ্ছে।

তাদের বসতবাড়ির মাটিতে মিয়ানমার সরকার ইপিজেট তৈরি করার পরিকল্পনা করছেন। এই উদ্দেশ্যেই মূলত মিয়ানমার সরকার তাদের ভিটা মাটি থেকে বিতাড়িত করছেন।

বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের কাছে দাবি করেছেন যে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা দেরকে তাদের নিজস্ব ভিটামাটি ফিরিয়ে দেওয়া হোক।মিয়ানমার থেকে পাঁচ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছিল আরো পাঁচ লক্ষ এসেছে এসেছে অর্থাৎ মোট ১০ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশী অবস্থান করছে। বাংলাদেশ এমনিতেই একটি ছোট দেশ এবং এতে যথেষ্ট পরিমাণ কৃষি জমির ঘাটতি রয়েছে। ১০ লাখ লোকের খাবারের জোগান দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সবকিছুর জোগান দেওয়া বাংলাদেশের মত দেশের পক্ষে সম্ভব নয় ।বাংলাদেশ সরকার বিশ্বের দরবার এবং জাতিসংঘের কাছেকাছে আবেদন জানিয়েছেন যে উপযুক্ত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তাদেরকে তাদের নিজের জায়গা জমি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য।

এবং বর্তমান কালেএকটি গোপন কূটনৈতিক মাধ্যমে জানা গেছে যে মিয়ানমার সরকার মূলত রোহিঙ্গাদেরকে তাদের দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে শুধুমাত্র সেখানে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ইপিজেড প্রতিষ্ঠা করার জন্য। ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হলে মিয়ানমারের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা আরো সচল হবে।

এমন অবস্থায় বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয় এত বিশাল পরিমাণ জনগণের দায়ভার গ্রহণ করা। বাংলাদেশের জনসমষ্টির অনেক বেশি এত বিপুল পরিমাণ জনগণের সার্বিক চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ সরকার প্রতিবছরই হিমশিম খায়। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন আরও বেশি পণ্য রপ্তানি করতে হবে অন্য দেশের সাথে এবং যে দেশ গুলোতে শুল্কমুক্তভাবে পণ্য রপ্তানি যেমন যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশগুলোর সাথে ব্যবসা বাণিজ্য সম্পর্ক তৈরি করতে হবে।এতে করে আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা আরও সমৃদ্ধ অর্জন করবে।



Similar Post You May Like