চাঁদে বসবাস শুরু আগামী ২৫ বছরের মধ্যে বললেন গবেষকরা

2017-10-04 মহাকাশ ও গবেষণা

মানুষ চাঁদে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে দিতে পারে আগামী ২৫ বছরের কম সময়ে ১০০ জনের বেশি। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির বিশেষজ্ঞরা এ বার্তা জানিয়াছেন। সম্প্রতি লাটভিয়ায় ইউরোপিয়ান প্লানেটারি কংগ্রেসের সভায় ‘মুন ভিলেজ’ বা চন্দ্রগ্রাম নিয়ে কথা বলেন ইএসএর দূত ও ফ্রান্সের গবেষক বার্নার্ড ফোয়িং। তিনি বলেন, শুধু চাঁদে আমাদের থ্রিডি প্রিন্ট করা ভবন থাকবে না, আমরা বরফ গলা পানি দিয়ে চাঁদের মাটিতে শস্য উৎপাদন করতে পারব। চাঁদের বুকে সন্তান জন্ম দেওয়া সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন অকার্যকর হয়ে যাবে বলে এর পরিবর্তে চাঁদে স্থায়ী বসবাসের ধারণাটি উঠে আসছে। ফোয়িং জানিছেন, ২০৩০ সাল নাগাদ ১০ জনকে নিয়ে চাঁদে বসবাস শুরু করা যেতে  পারে। এ সব মানুষের মধ্যে বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, কারিগর থাকবেন। ২০৪০ সাল নাগাদ চাঁদে বসবাসকারী সংখ্যা প্রাই ১০০ ছাড়িয়ে যাবে।এবং ২০৫০ সাল নাগাদ চাঁদে জনসংখ্যা হাজার পেরিয়ে যেতে পারে।

চাঁদে মানুষ পাঠানোর ও যন্ত্রপাতি পাঠানো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যয়বহুল। বিশেষজ্ঞরা বলেন, চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনায় সফল হতে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির পাশাপাশি মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা, ব্যক্তিগত মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স, ব্লু অরিজিন ও সকল গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে।

রাজনীতিবিদরা চাঁদে মানুষ বসবাস করুক এ বিষয়ে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী নন। এক সম্মেলনে লাটভিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ ভিডভুডস বেলডাভস বলেন, এটা খুবই হতাশার। আমরা শীর্ষ নেতাদের আগ্রহী করতে পারিনি।

এলন মাস্ক মনে করেন, চাঁদের থেকে মঙ্গল গ্রহে বসতি স্থাপন করা সহজ। তিনি মনে করেন, সেখানকার বায়ুমণ্ডলে কার্বনডাই অক্সাইডে তৈরি ফলে সেখানে উদ্ভিদ জন্মানো সহজ হবে। আর মঙ্গল গ্রহে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো পায়।

তিনি  আর বলেন, চাঁদে থেকে মঙ্গল গ্রহে বাস করাটা দারুণ মজার হবে। সেখানকার মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর তুলনায় ৩৭ শতাংশ। যার ফলে ভারী জিনিস তোলা ও বহন করা সহজ হবে।



Similar Post You May Like