জেনে রাখুন পানি বাহিত রোগ জন্ডিস এর লক্ষণ ও প্রতিকার

2017-10-04 স্বাস্থ্য পরামর্শ

জন্ডিস  হাইপারবিলিরুবিনেমিয়ার  নামে পরিচিত । এ জীবাণু প্রায় শিশুদের মধ্যে  বেশি  ছড়ায়  এবং  পরিবেশের  তারতম্যের  কারণে  প্রাপ্তবয়স্ক  নারী-পুরুষের   মধ্যেও   খুব   সহজেই   ছড়িয়ে   পড়ছে।  তাছাড়াও  দেখা  যাচ্ছে, বর্তমান  কালে  গর্ভবতী  মহিলা  জন্ডিস  আক্রান্ত  হচ্ছেন  বেশী।  এটা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভবতী মহিলার ক্ষেত্রে দেখা যায় যে তার থেকে জন্ম নেওয়া  শিশুটিও জন্ডিস আক্রান্ত। এটা খুব ভয়াবহ একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়, কারণ সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কম থাকে যার কারণে শিশুদের জীবনের হুমকি হয়ে দাঁড়ায় জন্ডিস। জন্ডিস মুলত লিভারকে আক্রমণ করে সাদা রক্ত শূন্য  হলুদ হয়ে যায় অথবা সাদা হয়ে যায়। এটি সঠিক সময় চিহ্নিত করতে না পারলে পরিনামে মৃত্যু ঘটতে পারে। প্রাপ্তবয়স্কদের লক্ষণ।

১।জ্বর

২।শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া

৩।পেটে ব্যথা

৪।সর্দি- কাশি

৫।ত্বকের রং হলুদ রংয়ের হয়ে যাওয়া

উপরোক্ত উপসর্গগুলো দেখা দিলে ভালো ডাক্তারের পরামর্শ নিন। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে অনেক সময় লক্ষণগুলো ধীর গতিতে প্রকাশ পায় ।এবং প্রকাশ পাওয়ার পর খুব তাড়াতাড়ি শরীরকে দুর্বল করে ফেলে ।এক্ষেত্রে অপেক্ষা না করে সাথে সাথে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে পরামর্শ অনুযায়ী জন্ডিস প্রতিরোধে টিকা ব্যবহার করতে হবে এবং তার পাশাপাশি খাবারের মধ্যে নিয়মিত কিছু পরিবর্তন আনতে হবে যেমন

১।তেল চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া যাবে না

২।দৈনন্দিন খাবারে ক্যালরির পরিমাণ হবে ১৮০০-২২০০  মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। 

৩।মৌসুমি  ফল কাঁঠাল। আখ,তরমুচ, পাতলা দুধ এই টাইপের খাবার ক্যালরি সংগ্রহ করা উচিত

৪।এ সময় আপনার বয়স অনুসারে ওজন ঠিক রাখাও জরুরী বিষয় তাই প্রতিদিন নিয়ম করে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন।৪৫ মিনিট হাঁটতে হবে।  

৫।ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, খাবারে যেন কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে না যায়। এতে জন্ডিস বাড়ার  ব্যাপক সম্ভাবনা থাকে তাই এ ধরনের খাবার গুলো এড়িয়ে চলতে হবে

৬।শিশুদের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে, নিয়মিত মায়ের বুকের দুধ পান করে তা না হলে অবশ্যই জন্ডিস এর কারন শিশুর জীবন নাশের হুমকি হতে পারে



Similar Post You May Like