প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সারদের জন্য তৈরি হচ্ছে নতুন ক্যাম্পাস

2017-10-24 ফ্রিল্যান্সিং

সাম্প্রতিক সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা গেছে যে বাংলাদেশ প্রফেশনাল লেভেলের ফ্রিল্যান্সার তৈরির জন্য উচ্চমানে প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠান “ শিখব সবাই”নামে রাজধানী ঢাকার বনানীতে একটি নতুন উন্নত মানের ফ্রিল্যান্সারদের ক্যাম্পাস তৈরি করছেন।

প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার তৈরির জন্য বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং সুবিধার জন্য বিভিন্ন যন্ত্রপাতি এবং উচ্চমানে নেটওয়ার্ক কানেক+টিভিটি সহ অন্যান্য সুবিধা সহ একটি নতুন ক্যাম্পাস তৈরি হচ্ছে। এখানে থাকবে সরাসরি লাইভ ক্লাস নেওয়ার সুবিধা অত্যাধুনিক আরো বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যন্ত্রপাতির মাধ্যমে অত্যাধুনিক ভাবে ফ্রিল্যান্সারদের ক্লাস নেওয়া সম্ভব হবে ।এবং এখানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ক্লাস হবে ডিজিটাল মার্কেটিং ওয়েব ডিজাইন ,গ্রাফিক্স ডিজাইন সহ আরো নানা মার্কেট প্লেসে কাজ করার জন্য ফ্রিল্যান্সারদেরকে আরও আধুনিকায়ন করে তৈরি করা হবে ।যাতে তারা বিশ্ববাজারে ফ্রিল্যান্সারদের সাথে তাল মিলিয়ে কাজ পারেন।এর উদ্দেশ্য মূলত বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা। এবং ২০২১ সালের ভিতর বাংলাদেশকে শতকরা একশভাগ আধুনিকায়ন করা অর্থাৎ ডিজিটালাইজেশনের পথ উন্মুক্ত করা। প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে আরো কয়েকটি প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করেছে এবং এ প্রোগ্রামগুলো কিন্তু তারা সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে এবং এসব প্রোগ্রামের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে তৈরি হয়েছে অনেক সফল ফ্রিল্যান্সার এরই ধারাবাহিকতায় ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আরও আধুনিক পদ্ধতিতে এবং তাদেরকে যোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য তৈরি হচ্ছে ঢাকার বনানীতে ফ্রিল্যান্সারদের ক্যাম্পাস।এই ক্যাম্পাস এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সারদের বেসিক জ্ঞান আরো অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে এবং তারা সফলভাবে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং এ উদ্দেশ্যেই মূলত এ ফ্রিল্যান্সারদের নতুন প্লাটফর্ম তৈরি হতে যাচ্ছে এম প্লাটফর্মের মাধ্যমে এডভান্স লেভেলের ফ্রিল্যান্সাররা প্রফেশনাল লেভেলের পদার্পণ করতে পারবে এবং প্রত্যেকেই একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারবে নিজেকে। যেহেতু একটি জনবহুল সম্পন্ন দেশের তুলনায় এখানে কর্মের ব্যবস্থা খুবই কম সীমিত তাই বাংলাদেশ সরকার প্রত্যেককে নিজ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যেই মূলত সারাদেশে এসব প্রতিষ্ঠান প্রতি জোরদার করেছেন। প্রত্যেক ফ্রিল্যান্সার নিজ উদ্যোগে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে এবং প্রত্যেকের প্রতিষ্ঠানে কিছু লোক খাটিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ২০২১ সালের ভিতর মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে পারে এজন্য বাংলাদেশ সরকার এ ধরনের মাধ্যমগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে দেখছেন।



Similar Post You May Like