বর্জ্যশোধনের বাধ্যবাধকতা নেই

2017-10-23 আইন ও বিচার

বর্জ্যশোধনের বাধ্যবাধকতা নেই, তার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বুড়িগঙ্গা নদীতে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বললেই চলে নদীতে ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে পানি দূষণ জনিত সমস্যা আর এর জন্য প্রধান দায়ী হাজারীবাগের চামড়াশিল্প হাজারীবাগের চামড়াশিল্প। 

মূলত বুড়িগঙ্গার পানি দূষণের জন্য দায়ী চামড়া শিল্পের প্রকাশন সমস্ত নালাগুলো বুড়িগঙ্গায় গিয়ে পতিত হয়েছে যার কারণে এর সমস্ত বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থগুলো বুড়িগঙ্গায় গিয়ে পড়ছে ফলে বুড়িগঙ্গার পানি হয়ে উঠছে ব্যবহার অনুপযোগী এবং বিষাক্ত এই পানি ব্যবহারের ফলে মানুষের মধ্যে ডায়রিয়া আমাশয় ও কলেরা বিভিন্ন স্পটসহ ভয়াবহ মহামারী মাধ্যমে চামড়া শিল্পে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয় তাহলে কিন্তু পরিবেশ দূষণ এবং পানি দূষণের হাত থেকে বুড়িগঙ্গা নদী রক্ষা পায়

এই সমস্যা নিরসনেসরকার একটি সিইটিপি স্থাপন করেছে, একটি নির্মাণের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এক চীনা প্রতিষ্ঠানটির কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানটি সঠিকভাবে তার দায়িত্ব পালন না করার যার কারণে এর পূর্বে এই প্রতিষ্ঠানটির ৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি যার কারনে ক্রমান্বয়েই পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে মানুষের এবং ধলেশ্বরী নদীর পানির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

এই অবস্থার প্রেক্ষিতে বর্তমান সময়ে হেমায়েতপুরে ৪৩ টি চামড়া কারখানা স্থানান্তর করা হয়েছে এবং ১৫৪ টী কারখানা প্রস্তুত করার মত জায়গা রয়েছে। সমস্ত জায়গায় চামড়া কারখানা স্থাপনের পর দেখার বিষয় হচ্ছে যে তারা এখানেও কতটা তাদের প্রয়োজনে প্রয়ঃ নিষ্কাশন সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারে। ঠিক ভাবে তাদের কারখানাগুলোর প্রয়ঃ নিষ্কাশন ব্যবস্থা পরিচালনা করতে না পারে তাহলে সেই ক্ষেত্রে চীনা কোম্পানির কাছ থেকে প্রয়ঃ নিষ্কাশন ব্যবস্থার দায়িত্ব কেড়ে নিয়ে অন্য কোনো সচেতন কোম্পানির কাছে দায়িত্ব অর্পণের জন্য জনগণের দাবি রইল সরকারের প্রতি।

শারমিন সুলতানা



Similar Post You May Like