ব্লু হোয়েল গেম এ আক্রান্ত শিশুর লক্ষণ

2017-10-10 গেমস

সাম্প্রতিক দেখা যাচ্ছে আমাদের দেশে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে শিশুরা ভিডিও গেমস খেলে হঠাৎ করে দেখা যাচ্ছে তারাব্লু হোয়েল আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা প্রকট ভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। যার ফল স্বরুপ শিশু হঠাৎ করেই নির্জন কোন জায়গায় গিয়ে হাতে নিল তিমি মাছের চিত্র অঙ্গন করে আত্মহত্যা করছে।

বিশ্বব্যাপী অন্তত ৩ শতাধিক তরুন তরুনী আত্বহত্যা করেছে এই খেলাটি খেলতেগিয়ে। অযোগ্য অথর্বদের পৃথিবী থেকে বিদায় করার মিশন নিয়ে এই খেলাটাউদ্ভাবন করা হয়। এমন একটি গেম এর ব্যাপারে যা হয়তো আপনার প্রাণ ও নিয়ে নিতে পারে.. ব্লু হোয়েল গেম। গেমটি রাশিয়া তে প্রায় ১৩০ জন কিশোর কিশোরীর জীবন নিয়েছে ।ব্লু হোয়েল এমন একটি গেইম, যাতে মোট ৫০টি স্টেজ আছে। প্রথমদিকের স্টেজগুলো হয় খুব ইজি। যেমন, কিউরেটরের পাঠানো ভিডিও দেখা, মিউজিক শোনা, ছবিকিংবা পোস্ট সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা, সারাদিন পরিবারের কারো সাথেকোনো কথা না বলা, সারাদিন না খেয়ে থাকা, রাত ৪.২০ মিনিটে ঘুম থেকে উঠেছাদে গিয়ে প্রচন্ড ঠান্ডার মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা, রাত ৪.২০ এ কাছাকাছিকোনো রেললাইনে গিয়ে একা একা বসে থাকা ইত্যাদি। ধীরে ধীরে গেইম যত সামনেরদিকে আগায় টাস্কগুলো তত কঠিন থেকে কঠিনতর হতে থাকে। যেমন ছুঁড়ি দিয়েপায়ে তিনটা কাঁটা দাগ দেয়া, ব্লেড দিয়ে হাতে F57 লিখা, সুঁই দিয়ে হাতেফুঁটো করে করে নীল তিমি আঁকা ইত্যাদি।

এটি মূলত ব্লু হোয়েল গেম এ আক্রান্ত শিশু গুলোর ক্ষেত্রেই এই ঘটনা ঘটছে এবং বারবার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। প্রতিদিনই সংবাদ মাধ্যমগুলোতে ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এই ব্লু হোয়েল গেমে আক্রান্ত শিশুর খবর মিলছে।  আপনার শিশুটি কি  ইন্টারনেটে গেম খেলছে,আপনি কি তার সম্পর্কে সব খবর রেখেছেন। আপনার শিশুটি কি এই রোগে আক্রান্ত কিনা? আপনি কি নিশ্চিত? আসুন আমরা জানি আক্রান্ত শিশুর লক্ষণ এবং এর প্রতিকার এর উপায়।

১। ব্লু হোয়েল আক্রান্ত শিশুর লক্ষণ হঠাৎ করে শিশুর আচরণের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন দেখা দেবে। যে খাবারগুলো খেতে পছন্দ করত যে জায়গাগুলোতে ঘুরতে পছন্দ করত হুট করেই তার  আর এসব ভালো লাগছে না।

২। ইন্টারনেট মোবাইল গেমের প্রতি আসক্তির প্রকাশ করছে সব ছেড়ে গেমের প্রতি বেশি আগ্রহ প্রকাশ করছে।

৩। লেখাপড়ায় মনোযোগ আসছে না।  রাগ ক্ষোভ আর অভিমান আবেগ সূচক বিষয়গুলো তার ভেতরে বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে।

৪। কথাবার্তা আচার আচরণ অস্বাভাবিক কিছু চাওয়া-পাওয়া বহিঃপ্রকাশ ঘটছ। পড়ালেখায় অমনোযোগী হয়ে যাচ্ছে।

৫। নিজেকে সবসময় আস্থির এবং একা অনুভব করছে।

৬। আচরণে ক্রমান্বয়ে উগ্র ভাব দেখাচ্ছে।

সমাধানঃ

২। মিডিয়া এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের মাত্রা শিশুদের কমিয়ে আনতে হবে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পূর্বে তাদেরকে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে এত বেশি আগ্রহ প্রকাশ করতে দেওয়া যাবে না। আপনার সন্তানকে একটি  সাধারন ফোন ব্যবহার করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।



Similar Post You May Like